বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ : বরিশাল নগরীর দপদপিয়া সেতুর ওপর থেকে এক নবজাতক শিশুকে কীর্তনখোলা নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্কুল শিক্ষক মায়ের বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে নগরজুড়ে নগরীজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) নবজাতককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অপরদিকে, শারীরিক অসুস্থতা ও বিষণ্ণতার কথা বলে অভিযুক্ত মা ঐশি আক্তারকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার স্বজনরা। যদিও ভর্তি রেজিস্ট্রারে রহস্যজনক কারণে তার নাম রাবেয়া লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই নারী ও তার স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
ঐশি আক্তারের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মগড় ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামে। তিনি হয়বৎপুর তৌকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার স্বামী নাম সোহেল আহমেদ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।
নবজাতকের বাবা সোহেল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ১০ জানুয়ারি ভোরে শেবাচিম হাসপাতালে আমার স্ত্রী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। এর দুই দিন পর স্ত্রী-সন্তানকে নগরীর বাংলাবাজার এলাকায় স্ত্রীর বড় বোনের বাসায় রেখে যাই। সেখান থেকে বুধবার দুপুরে সন্তানকে নিয়ে বের হন আমার স্ত্রী। পরে তিনি অটোরিকশাযোগে দপদপিয়া সেতুতে গিয়ে সন্তানকে কীর্তনখোলা নদীতে ফেলে দেন। এ ঘটনার পর থেকে সন্তানের হদিস মিলছে না। এ ঘটনায় স্ত্রী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান সোহেল আহমেদ।
শেবাচিম হাসপাতাল সূত্র বলছে, গত শুক্রবার এই হাসপাতালেই শিশুটি ভূমিষ্ট হয়। সোমবার স্বজনরা শিশুসহ তার মাকে বাসায় নিয়ে যায়। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ওই শিশুর মাকে ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply